সাম্প্রতিক কিছু বইয়ের লিঙ্ক

ভারতের রাজনীতিতে হিন্দুত্ববাদের উল্লম্ফনের ঐতিহাসিক পটভূমি বদরুদ্দীন উমর



ভারতের রাজনীতিতে হিন্দুত্ববাদের উল্লম্ফনের ঐতিহাসিক পটভূমি
বদরুদ্দীন উমর


হিন্দুত্ব এখন যেভাবে ভারতের রাজনীতিতে শুধু প্ৰবল প্রভাব নয়, আধিপত্য বিস্তার করেছে, এটা এক ভয়াবহ ব্যাপার। ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলির জন্যও বিপজ্জনক। এই প্রতিক্রিয়াশীলতা পরাজিত করার জন্য শুধু রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘ (আরএসএস), বিজেপি বা নরেন্দ্ৰ মোদির সমালোচনা ও বিরোধিতাই যথেষ্ট নয়। বাস্তবতঃ এর কোন কাৰ্যকারিতাও নেই। ভারতের রাজনীতি আজ এ পর্যায়ে এসে দাঁড়ানো কোন অলৌকিক বা হঠাৎ ঘটে যাওয়া ব্যাপার নয়। এটা মনে করাও বড় রকমের এক মূ্র্খতা। অকারণে কিছুই ঘটে না। কাজেই এর কারণ অনুসন্ধান ও সঠিক ব্যাখ্যা ছাড়া এর সমালোচনা ও বিরোধিতা তীব্র হলেও এর পরিবর্তন সম্ভব নয়। বলাই বাহুল্য, ভারতীয় সমাজের মধ্যেই এর মূল প্রোথিত। ভারতের ইতিহাসের মধ্যেই এর কারণ অনুসন্ধান করতে হবে।

ইহজাগতিকতার শত্রুপক্ষ - সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

গোর্কী বলেছেন, 'আমার পাঠশালা হচ্ছে জীবন। আর জীবনই আমার বই।' তাঁর কথা হচ্ছে জীবন যেমন আমাদের একখানি বইয়ের কথা বুঝতে সাহায্য করে, তেমনি বই আমাদের জীবনকে বুঝতে সাহায্য করে একেই আমরা বলি দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক বই আর জীবনের মধ্যে। অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম সম্পর্কে কোন কিছু বলা আমার মত লেখকের জন্য অনুচিত হবে। তার প্রবন্ধ সমগ্র পড়ে শেষ করলেম কিছুদিন আগে। সেখানে একটি প্রবন্ধের শিরোনাম ছিল "ইহজাগতিকতার শত্রুপক্ষ"। ভালো কোনো লেখা পড়লে অন্যকে পড়ানোর একধরনের তাগিদ অনুভব করি। আপনাদের ভালো লাগলে আমারও আমারো লাগবে।
অধ্যাত্মবাদ ইহজাগতিকতার বিপরীতপক্ষ বটে, কিন্তু ইহজাগতিকতার আসল শক্র সেখানে নেই, রয়েছে অন্যত্র । অধ্যাত্মবাদ এই শক্রর দ্বারা ব্যবহৃত হয়। আকর্ষণ করে, মোহ গড়ে তোলে। আসল শক্রটা তাহলে কে? সে হচ্ছে ভয় ।
এই ভয়ের ব্যাপারটায় আসার আগে ইহজাগতিকতা ব্যাপারটা কি সেটা একটু বুঝে নেওয়া যাক।

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী 
ইহজাগতিকতার শত্রুপক্ষ

ইহজাগতিকতা থাকলে পারলৌকিকতাও থাকে, আলো থাকলে যেমন থাকে অন্ধকার, হয়তো-বা বলা যাবে মাটির ওপরে আকাশ; কিন্তু ইহজাগতিকতা পারলৌকিকতার অনুগত নয়, পারলৌকিকতাকে অবজ্ঞা না-করলেও উদাসীনতা যে দেখায় সে-বিষয়ে সন্দেহ নেই। ইহজাগতিকতার ভাবটা এই রকমের যে, পরলোক আছে কিনা জানি না, থাকলেও থাকতে পারে, কিন্তু তাকে নিয়ে আমার উৎসাহ নেই, আমার জগৎ ইহজগৎ, সেখানেই আমার আগ্রহ। ইহকাল আছে; ইহজগৎ ইহকাল থেকেও ভিন্ন। কেননা কাল অনেক বিস্তীর্ণ জগতের তুলনায়।

বই প্রসঙ্গ - ম্যাক্সিম গোর্কি

বই প্রসঙ্গ - ম্যাক্সিম গোর্কি
বই প্রসঙ্গ
— ম্যাক্সিম গোর্কি

এই বইটির (পি. মটিয়ার রচিত Histoire generale des literatures etrangeres-এর মুখবন্ধ হিসাবে এই প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়েছিল। গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯২৫ সালে, প্যারিসে) মুখবন্ধ লিখে দেবার জন্য আপনারা আমাকে অনুরোধ করেছেন। কিভাবে ভালো মুখবন্ধ লেখা যেতে পারে। আমি জানি না তথাপি এ রকম একটি প্রীতিপ্রদ প্রস্তাব নাকচ করতে মন সায় দিচ্ছে না। সেজন্য প্রস্তাবটি গ্রহণ করে এই সুযোগে বই সম্বন্ধে সাধারণভাবে আমি কি ভাবি তা অল্প কথায় বলব।

অরুন্ধতী রায়ের দ্বিতীয় উপন্যাস নিয়ে একটি সাক্ষাৎকার দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকা থেকে অনুবাদ করেছেন আশফাক স্বপন

‘কথাসাহিত্য তার নিজস্ব গতিতে আপন সময়ে আত্মপ্রকাশ করে’
অরুন্ধতী রায়, দ্বিতীয় উপন্যাস লিখতে কেন ২০ বছর লাগলো, সেই প্রসঙ্গে
ডেকা এটকিনহেড, দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকা থেকে অনুবাদ করেছেন আশফাক স্বপন।

কুড়ি বছর পর এই প্রথম অরুন্ধতী রায় একটি নতুন উপন্যাসের কাজ সমাপ্ত করলেন। কাজ শেষ করে তার প্রকাশনা এজেন্ট কে বললেন: ‘পাণ্ডুলিপি নিলামে তুলে দরাদরি করা চলবে না – এই সব বেহায়াপনা আমার একদম পছন্দ না, বুঝলে?’ বললেন, আগ্রহী প্রকাশকেরা যেন তাকে চিঠি লেখেন। সেই চিঠিতে তারা পাণ্ডুলিপি পড়ে গল্পটা ‘কেমন বুঝলেন’ তার বর্ণনা দেবেন।
প্রকাশক : রিটন খান, সম্পাদকমন্ডলী : এমরান হোসেন রাসেল, রিটন খান
Copyright © 2017. All rights reserved by বইয়ের হাট