উত্তরপুরুষ
দেবদ্যুতি রায়
এক
এবার এই ‘আগন’ মাসেই কেমন মাঘের মতো শীত পড়েছে। চার পাঁচদিন থেকে সূর্যের দেখা মিলছে না একেবারে। গায়ের ভারি সোয়েটারের ওপর আলোয়ানটা ভালো করে জড়ায় রতন। আজকাল শরীরটা শীত, গরম কিছুই সহ্য করতে পারে না একদম। কে জানে, শীতের এই ক’টা মাস কী করে কাটবে এবার। ওদের এই এলাকায় শীতের তীব্রতা এমনিতেই দেশের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে অনেক বেশি।
মণ্ডলপাড়ার একেবারে মাঝ বরাবর রতনদের এই ছন্নছাড়া বাড়িটা। এ বাড়ির খাপছাড়া মাপের দুটি ঘরের মাঝখান জুড়ে ছোটমোট বারান্দাটাই আজকাল রতনের সারাদিনের থাকার জায়গা। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে ভাঙ্গাচোরা শরীরটা টেনে নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এখানেই বসে সে। খাওয়ার লম্বা টেবিলটার মাপে বানানো বেঞ্চটায় বসে থাকে। যখন আর পারে না, শুয়ে পড়ে ওখানেই। খুব মন চাইলে বাড়ির মানুষদের একটু উঠানে নামার কথা জানায়। নড়বড়ে কাঠের চেয়ারটায় উঠানে তখন খানিক সময় বসা হয় ওর। গত বছর পর্যন্ত তবু কলপাড় বা ল্যাট্রিনে যাওয়া আসা করতে পারত একা একা, এবার সেটাও প্রায় অসাধ্য হয়ে যাচ্ছে। মা, আবার কখনও সখনও সুমিও ওকে ধরে ধরে সব জায়গায় নিয়ে যায় আজকাল।
দেবদ্যুতি রায়
এক
এবার এই ‘আগন’ মাসেই কেমন মাঘের মতো শীত পড়েছে। চার পাঁচদিন থেকে সূর্যের দেখা মিলছে না একেবারে। গায়ের ভারি সোয়েটারের ওপর আলোয়ানটা ভালো করে জড়ায় রতন। আজকাল শরীরটা শীত, গরম কিছুই সহ্য করতে পারে না একদম। কে জানে, শীতের এই ক’টা মাস কী করে কাটবে এবার। ওদের এই এলাকায় শীতের তীব্রতা এমনিতেই দেশের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে অনেক বেশি।
মণ্ডলপাড়ার একেবারে মাঝ বরাবর রতনদের এই ছন্নছাড়া বাড়িটা। এ বাড়ির খাপছাড়া মাপের দুটি ঘরের মাঝখান জুড়ে ছোটমোট বারান্দাটাই আজকাল রতনের সারাদিনের থাকার জায়গা। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে ভাঙ্গাচোরা শরীরটা টেনে নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এখানেই বসে সে। খাওয়ার লম্বা টেবিলটার মাপে বানানো বেঞ্চটায় বসে থাকে। যখন আর পারে না, শুয়ে পড়ে ওখানেই। খুব মন চাইলে বাড়ির মানুষদের একটু উঠানে নামার কথা জানায়। নড়বড়ে কাঠের চেয়ারটায় উঠানে তখন খানিক সময় বসা হয় ওর। গত বছর পর্যন্ত তবু কলপাড় বা ল্যাট্রিনে যাওয়া আসা করতে পারত একা একা, এবার সেটাও প্রায় অসাধ্য হয়ে যাচ্ছে। মা, আবার কখনও সখনও সুমিও ওকে ধরে ধরে সব জায়গায় নিয়ে যায় আজকাল।
