ছায়ামেঘ
নিবেদিতা আইচ

ইয়্যু গো লেফট দ্যান রাইট...
নীলচোখের মানুষটা বারবার ধন্যবাদ দিয়ে লম্বা লম্বা পা ফেলে ইউক্যালিপটাসের ছায়ায় ঢাকা পথ ধরে হেঁটে চলে গেলো। ইংরেজিটা কখনো এত কাঁচা ছিল না আমার। তবু সাদা চামড়া দেখে কথা বলতে গিয়ে ঠিকই বুক ঢিপঢিপ করছিল।
প্রায় ছ’ফুট উচ্চতার নীল চোখ মানুষটা কথা বলছিল অনেকটা ঝুঁকে। নিজেকে আমার বামন বলে মনে হচ্ছিল। চলে যাবার পরেও কয়েক সেকেন্ড হাঁ করে তাকিয়ে রইলাম আমি। তোতা মিয়ার দোকান থেকে দুটো ছোকরা পিছু নিয়েছে নীল চোখ মানুষের। আমি জানি কুন্দতলি গির্জার ফাদারের কাছে এসেছে লোকটা। এত বছরেও কেউ আসেনি কখনো। আজ হঠাৎ কেন এলো সেও জানি না। নামটা জিজ্ঞেস করতে পারিনি। সেটা আসলে ভদ্রতাজনিত সঙ্কোচের জন্য নয়, হুট করে এমন বেজায়গায় অসময়ে ওকে দেখে ভড়কে গেছি আমি। এখন মনে হচ্ছে জিজ্ঞেস করলে হয়তো জানাও যেত।
তোতা মিয়ার দোকানে গিয়ে বসলে একটু পর পুরো খবরটাই হয়তো জানা যাবে। কিন্তু বরাবরের মতো নির্লিপ্ততা ধরে রেখে সেদিকে না গিয়ে নিজের বাড়ির দিকে হাঁটতে শুরু করলাম।
নিবেদিতা আইচ

ইয়্যু গো লেফট দ্যান রাইট...
নীলচোখের মানুষটা বারবার ধন্যবাদ দিয়ে লম্বা লম্বা পা ফেলে ইউক্যালিপটাসের ছায়ায় ঢাকা পথ ধরে হেঁটে চলে গেলো। ইংরেজিটা কখনো এত কাঁচা ছিল না আমার। তবু সাদা চামড়া দেখে কথা বলতে গিয়ে ঠিকই বুক ঢিপঢিপ করছিল।
প্রায় ছ’ফুট উচ্চতার নীল চোখ মানুষটা কথা বলছিল অনেকটা ঝুঁকে। নিজেকে আমার বামন বলে মনে হচ্ছিল। চলে যাবার পরেও কয়েক সেকেন্ড হাঁ করে তাকিয়ে রইলাম আমি। তোতা মিয়ার দোকান থেকে দুটো ছোকরা পিছু নিয়েছে নীল চোখ মানুষের। আমি জানি কুন্দতলি গির্জার ফাদারের কাছে এসেছে লোকটা। এত বছরেও কেউ আসেনি কখনো। আজ হঠাৎ কেন এলো সেও জানি না। নামটা জিজ্ঞেস করতে পারিনি। সেটা আসলে ভদ্রতাজনিত সঙ্কোচের জন্য নয়, হুট করে এমন বেজায়গায় অসময়ে ওকে দেখে ভড়কে গেছি আমি। এখন মনে হচ্ছে জিজ্ঞেস করলে হয়তো জানাও যেত।
তোতা মিয়ার দোকানে গিয়ে বসলে একটু পর পুরো খবরটাই হয়তো জানা যাবে। কিন্তু বরাবরের মতো নির্লিপ্ততা ধরে রেখে সেদিকে না গিয়ে নিজের বাড়ির দিকে হাঁটতে শুরু করলাম।